জেলা পর্যায়ে শিশু অধিকার পরিস্থিতি বিষয়ে শিশুদের সাথে বড়দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গত ২৭ আগস্ট রোজ মঙ্গলবার এনসিটিএফ মাদারীপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটি জেলা পর্যায় শিশু অধিকার বিষয়ক মতবিনিময় সভা “শিশু সংলাপ – ২০১৯” আয়োজন করে।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব ওয়াহিদুল ইসলাম মহোদয় এবং জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের সম্মানিত কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলা এনসিটিএফ কমিটিসহ সাধারণ সদস্য উপস্থিত থেকে তাদের সমস্যাগুলো এবং সুপারিশমালা তুলে ধরে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিশুদের পক্ষ থেকে আসা সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

জেলা পর্যায়ে শিশু অধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক শিশুদের সাথে বড়দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গত ২৮ আগষ্ট এনসিটিএফ পাবনা জেলার আয়োজনে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে বিকাল ৩টায় জেলা পর্যায়ে শিশু অধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক শিশুদের সাথে বড়দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব, কবীর মাহমুদ, জেলা প্রশাসক, পাবনা। সভায় জেলা এনসিটিএফ কমিটিসহ ২৩ জন সাধারণ সদস্য উপস্থিত থেকে তাদের সমস্যাগুলো এবং সুপারিশমালা তুলে ধরে। মোট চারটি বিষয়ের উপর ১১ টি সমস্যার বিপরীতে ২৫ টি সুপারিশ তুলে ধরে শিশুরা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিশুদের পক্ষ থেকে আসা কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিকভাবে করে দেন। বাকিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, তাৎক্ষণিক ভাবে ফোন দিয়ে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে বাহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধ এবং প্রোগাম শেষে পরিদর্শন। এনসিটিএফ পাবনার সাথে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য স্বাস্থসম্মত টয়লেট নির্মানসহ স্যানিটারি ন্যাপকিন বক্স স্থাপন। স্কুল গুলোর সামনে জেব্রা ক্রসিং তৈরিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। তাৎক্ষণিক ভাবে জেলা শিক্ষা অফিসারকে ফোন দিয়ে প্রোগামে ডেকে শিশুদের শিক্ষা বিষয়ে সমম্যাগুলো নিজে শুনে ব্যবস্থা গ্রহণ। শিশু পার্কের দাবী পূরণ। ডিসি অফিস এনসিটিএফ এর জন্য উম্মুক্ত করা। শিশুরা চাইলে যে কারো সাথে সব সময় যোগাযোগ করতে পারবে। কোন প্রকার অনুমতির প্রয়োজন হবে না। যে সকল বিদ্যালয়ের সামনে এবং স্থানে বখাটেরা মেয়েদের উতক্ত করে সেইসকল স্থান এবং বখাটেদের আড্ডা দেবার সময় নোট করে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট করার নির্দেশ। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে  অতি শীগ্রই  পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ। স্কুলগুলোতে বিশেষ ক্লাসের নামে শিশুদের উপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। তাৎক্ষণিক ভাবে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কালেক্টরেট মডেল স্কুলে বিশেষ ক্লাস বন্ধের ঘোষণা করেন। আগামীতে শিশুদের নিয়ে কর্মসূচীতে এনসিটিএফ কে পাশে চান জেলা প্রশাসক।  শিশুদের সাথে বড়দের এই মুখমুখি সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহেদ পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি),  এস এম মসলেম উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার,  পাবনা, ডাঃ মোঃ রহিম উদ্দিন মেধা মেডিকেল অফিসার, সিভিল সার্জন অফিস, পাবনা, সুরাইয়া সুলতানা, অধ্যক্ষ, ইমাম গাযয্লী স্কুল এন্ড কলেজ ও সভাপতি শিশুবন্ধু প্ল্যাটফর্ম, মোছাঃ হেলেনা খাতুন, প্রধান শিক্ষক, শহীদ আহমদ রফিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সৈকত,  সিআরপি, সেভ দ্য চিলড্রেন, মিথিলা খাতুন জেলা ভলান্টিয়ার, সাংবাদিকবৃন্দ এনসিটিএফ এর উপদেষ্টাবৃন্দ। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এবং সেভ দ্য চিলড্রেন এর সহযোগিতায় রেজোয়ান খান বোরহানের সঞ্চালনায়  পুরো আয়োজনটিতে সভাপতিত্ব করেন সামানিয়া জান্নাতী শান্তা, সভাপতি এনসিটিএফ পাবনা।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের সাথে এনসিটিএফের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অদ্য ৭ই আগস্ট রোজ বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) মাদারিপুর জেলার কার্যনির্বাহী কমিটি ও স্কুল ক‌মি‌টির সদস্যবৃন্দ মাদারীপুর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব ওয়াহিদুল ইসলাম মহোদয়ের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন। 
এসম‌য়ে মাদারীপুর জেলার শিশুদের বর্তমান পরিস্থিতি এর উল্লেখযোগ্য ও উন্নয়নযোগ্য বিষয়গুলো নি‌য়ে আলোচনা করা হয় এবং মাদারিপুর এর সকল শিশুর অধিকারসমূহ, সার্বিক জীবন-যাপন ব্যবস্থা, বি‌নোদনসহ সকল বিষ‌য়কে কেন্দ্র ক‌রে এক‌টি মত‌বি‌নিময় সভার আ‌য়োজন করবার প্রস্তাব উপস্থাপণ করা হয়। 
‌জেলা প্রশাস‌ক ম‌হোদ‌য়ের আ‌লোচনা সা‌পে‌ক্ষে আগস্ট মা‌সের শেষ সপ্তা‌হে মত‌বি‌নিময় সভা আ‌য়োজ‌নের সিদ্ধান্তগ্রহণ করা হয় এবং তি‌নি এন‌সি‌টিএফ মাদারীপুর‌ এর কার্যক্র‌মে সা‌র্বিক সহ‌যো‌গিতার প্র‌তিশ্রু‌তি ব্যক্ত ক‌রেন।

মাদারিপুর জেলা এনসিটিএফ কার্যনির্বাহি কমিটির বিদ্যালয় পরিদর্শন

মাদারিপুর জেলা এনসিটিএফ কার্যনির্বাহি কমিটি মাদারিপুরের নতুন শহর প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। মাদারিপুর সদর লেকপার এর মধ্যে এটি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে এটার যে অবস্থা তাতে শিশুর পড়ালেখা ও চলাফেরা এবং তার শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই বেশি।
৭ই আগস্ট মাদারিপুর জেলা এনসিটিএফ কমিটি এই স্কুলটি পরিদর্শনের সময় স্কুল এর চারপাশ এবং শিশু ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলেন।
তারা জানান, স্কুলটি নির্মান কাজ চলছে বিধায় তাদের এই পরিস্থিতি। তাদের একটা মাত্র অফিস রুম এর মত ওই রুম আর রুমের বারান্দাতেই ৫/৬ শ্রেণীর ক্লাস নেওয়া হয় এবং আলাদা কোন অফিস রুম না থাকায় শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষকদের এক সাথেই বসতে হয়।
স্কুলটির চারপাশে নানা যায়াগায় ময়লা পানি জমে আছে। যাতে মশা, সাপ এসব এর ভয়ে আতংকে থাকেন শিক্ষকেরা। এমন কি শিশুদের স্কুলে যাবার পথও সুবিধাজনক নয়।
এমতাবস্থায় এনসিটিএফ জেলা কমিটি ও মাদারিপুর জেলা প্রশাসক ও প্রশাসন এর কাছে তাদের অনুরোধ উক্ত স্কুল এর শিশুদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে দ্রুত একটি সমাধানে আশা করছেন।

মাদারিপুর জেলা এনসিটিএফ কার্যনির্বাহি কমিটির মাদারিপুর সদর হাসপাতাল পরিদর্শন

১০-০৮-১৯ তারিখ রোজ শনিবার সকাল ১০, ঘটিকায় মাদারিপুর জেলা এনসিটিএফ কার্যনির্বাহি কমিটি, মাদারিপুর সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
সেখানে, ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ (আবাসিক মেডিকেল অফিসার) ও দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা, সদর হাসপাতাল মাদারিপুর।
তার সাথে কথা বলে তার অনুমতি সাপেক্ষে এনসিটিএফ কমিটি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন।
সেখানে এনসিটিএফ কমিটি সকল শিশুসহ ডেঙ্গু আক্রান্ত সকল রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সবাইকে  ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনত করেন।
পরিদর্শন সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু সহ বর্তমানে শিশুদের অন্য রোগের প্রভাব ও রয়েছে। তার মধ্যে নিউমোনিয়া অন্যতম। দুঃখজনক হল মাদারিপুর সদর হাস্পাতালের পরিবেশ এই মুহুর্তে খুবই খারাপ অবস্থা। ময়লা-আবর্জনায় ভরা। পানি জমে থাকা, বারান্দায় সব রকম ময়লা ফালানো ও বাথরুমের অবস্থা বেশি খারাপ।
এই সকল কারনেই ডেঙ্গু মশার প্রকোপ বাড়ছে বই কমছে নাহ। তাই রোগী সহ হাসপাতালে অবস্থানরত সকলকেই সচেতন হতে হবে।

গাইবান্ধা জেলা এনসিটিএফ এর হাসপাতাল পরিদর্শন

মোঃ মেহেদী হাসান অন্তরঃ হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হলে সকলের সচেতনতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান। 
জাতীয় পর্যায়ের শিশু সংগঠন ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্স এনসিটিএফ সদস্যদের হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড মনিটরিং এর সময় তিনি এ কথা বলেন। 
গত ০৪ আগস্ট, রবিবার সকালে এনসিটিএফ সদস্যরা ২০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের শিশু ও ডাইরিয়া ওয়ার্ড পরিদর্শন করে। পরিদর্শনের সময় শিশু ওয়ার্ডের ২টি বেড ভাঙ্গা, সিলিং ফ্যান নষ্ট, শুকনো ময়লা ফেলার জন্য ঝুড়ি নাই, মেঝেতে ময়লাসহ বেশ কিছু সমস্যা খুঁজে পান এনসিটিএফ সদস্যরা।
হাসপাতালের তত্বাবধায়কের নিকট সমস্যা গুলো তুলে ধরেন এনসিটিএফ সদস্যরা। তিনি সমস্যা গুলো নোট করে নেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এসময় এনসিটিএফ সদস্যরা শিশু রোগীর সর্বোত্তম সুরক্ষার স্বার্থে শিশু ও নবজাতক ওয়ার্ডে জনসাধারণের জুতা ছাড়া প্রবেশের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানায়। 
এসব দাবির প্রেক্ষিতে হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান বলেন, এটি করতে পারলে অনেক ভালো হতো। তবে সবাইকে বিষয়টি মান্য করতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে বিষয়টি আমরা বিবেচনা করবো। এছাড়া তিনি এনসিটিএফ সদস্যদের নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে একদিন হাসপাতাল মনিটরিং করে পরামর্শ দেয়ার অনুরোধ জানায়।
পরিদর্শন কালীন, শিশু ওয়ার্ডে ১২ জন, নবজাতক ওয়ার্ডে ৫ জন ও ডাইরিয়া ওয়ার্ডে ১০ জন শিশুরোগি চিকিৎসাধীন আছে বলে জানায় কর্তব্যরত নার্স। 
এছাড়াও হাসপাতালের বহিঃবিভাগে প্রতিদিন প্রায় ১৫০ জন শিশু রোগি চিকিৎসা নেয় এবং যাদের অধিকাংশ জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত বলে জানায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ স্বপ্না রানী।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিটিএফ, গাইবান্ধা এর সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান অন্তর, সাংগঠনিক সম্পাদক পলক, শিশু গবেষক মিম, শিশু সাংবাদিক ছনিয়া, চাইল্ড পার্লামেন্ট মেম্বার জান্নাতুল ও জেলা ভলান্টিয়ার মোঃ তাওহীদ তুষার প্রমুখ।

ঢাকা এনসিটিএফের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ রোধ

গত ০২-০৮-২০১৯ ইং তারিখে দুপুরে মিরপুর ১২ নাম্বার থেকে এনসিটিএফ ঢাকা জেলার কাছে বাল্যবিবাহের তথ্য আসে এবং তারা ঐ দিনে বিয়ে হবে সেটাও জানতে পারে।

সাধারণ সম্পাদক মিরাজ সাথে সাথে সেখানে পৌঁছায় এবং বাকি কমিটি মেম্বারদের ডাকা হয়। প্রথমে ছেলের বাসা থেকে সকল তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ছেলের পরিবার ছেলের জন্য একটা জাল জন্মনিবন্ধন তৈরি করে। এনসিটিএফ সদস্য বৃন্দ সেই জাল জন্মনিবন্ধনে কিছু ভুল সাথে সাথে খুঁজে পায় এবং তাদের কাছেই উপস্থাপন করে।
তারপর তারা নিজেদের ভুল বুজতে পারে এবং তারা মেয়েদের বাড়িতে নিয়ে যায়। মেয়ে পক্ষের বাসায় যেয়ে তাদের সাথে আলোচনা শুরু করি তারা মেয়ের সঠিক জন্মনিবন্ধন দিতে সক্ষম হয়। তাদেরকে ছেলের পরিপূর্ণ বয়স না হওয়ার কথা জানাই। তারা সে কথা জানে না বলে আমাদের কে জানায়। পরে দুপক্ষের সাথে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাদের দুই পক্ষের সম্মতিক্রমে একটি অঙ্গীকারনামা সংগ্রহ করা হয়। তাতে উল্লেখ থাকে যে ছেলেমেয়ে পরিপূর্ণ বয়স না হওয়ার পযন্ত তাদের বিয়ে দুই পরিবার দিবে না। তাতে স্বাক্ষর করে ছেলেমেয়ে এবং তাদের বাবা মা।

সব শেষে সেখানে এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটলে এনসিটিএফ কে জানাতে অনুরোধ করা হয়।

ধন্যবাদান্তে,
মিরাজ হোসেন
সাধারণ সম্পাদক
এনসিটিএফ, ঢাকা জেলা।

এনসিটিএফ শেরপুর জেলার উদ্যোগে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম

গত ০৩-০৮-১৯ রোজ শনিবার এনসিটিএফ শেরপুর জেলার পক্ষ থেকে জেলার ঢাকলহাটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে এক গনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য  বিষয় ছিল, “সচেতন হলে আমরা, শিশু গড়বে সোনার বাংলা”। পুরোপুরি মাল্টিমিডিয়া সিস্টেমে উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা হয়। শিশু সুরক্ষায় শিশুর নিজেদের কি করা উচিত, অভিভাবকদের কি করা উচিত, শিক্ষকদের কি করা উচিত এইসব বিষয় নিয়েই উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বর্তমানে ভয়াবহ আকার ধারন করা ডেঙ্গু নিয়েও আলোচনা করা হয়  এবং এ বিষয়ে যাতে সকলেই সচেতন থাকে এই বিষয়ে বলা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এনসিটিএফ শেরপুর জেলার জেলা ভলান্টিয়ার রজত সাহা অন্তু। অনুষ্ঠানে আরও  উপস্থিত ছিলেন ঢাকলহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা, এনসিটিএফ শেরপুর জেলার সাধারণ সদস্য  প্রিয়াস সাহা, পূর্ণিমা, আঁখি, মনন, উক্ত স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক শিক্ষিকা সহ  আরোও অনেকে। পরিশেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করল এনসিটিএফ রাজশাহী

গতকাল ৩০ জুলাই বিকাল ৩ টায় এনসিটিএফ রাজশাহী জেলার কার্যনির্বাহী কমিটি নতুন জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করে। এসময় তিনি এনসিটিএফ এর কাজের প্রশংসা করেন এবং আগামীতে জেলার শিশু অধিকার বাস্তবায়নে এনসিটিএফ এর পাশে থাকবেন বলে আস্বস্ত করেন। এছাড়া ঈদের পর গত ছয়মাসের রাজশাহী জেলার  শিশু অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এনসিটিএফ এর সাথে মতবিনিময় সভায় শিশুদের সমস্যাবলী এবং সুপারিশ শোনার আগ্রহ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় এনসিটিএফ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দের সাথে জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মনজুর কাদের, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সৈকত, সিআরপি সেভ দ্য চিলড্রেন এবং মোঃ জুলফিকার আলম মারুফ, জেলা ভলান্টিয়ার উপস্থিত ছিলেন।

এনসিটিএফ মুন্সিগঞ্জ জেলা কমিটির আয়োজনে মানবন্ধন ও লাল কার্ড কর্মসূচি

সম্প্রতিক সারা বাংলাদেশে শিশু ধর্ষন শিশু নির্যাতন ব্যাপকভাবে বেড়ে চলেছে। তার ফলে শিশুদের ভবিষ্যৎ আজ ঝুকিপূর্ণ। এই নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষন বন্ধের লক্ষে ১৫ই জুলাই ২০১৯ ইং মুন্সিগঞ্জ জেলা এনসিটিএফ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, মুন্সিগঞ্জের সহযোগীতায় মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাব এর সামনে মৌন প্রতিবাদ, মানববন্ধন ও লাল কার্ড কর্মসূচির আয়োজন করে। উক্ত সমাবেশে এভিজেএম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আমিরুলহক পৌর বালিকা বিদ্যালয়, রনস রুহিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সহ মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে৷ মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী সকলে এই জঘন্যতম কাজের তীব্র প্রতিবাদ জানায়৷ শিশু ধর্ষন, নির্যাতন ও শিশু হত্যার বিরুদ্ধে শিশুরা হাতে লেখা প্লেকার্ড ও লাল কার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রতিবাদ করে এবং সকলকে এর এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহবান জানায়৷
উক্ত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মুন্সিগঞ্জ জেলায় কর্মরত নবাগত জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা দেওয়ান হাফিজুর রহমান, দৈনিক সভ্যতার আলোর সম্পাদক মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জল, সাংস্কৃতিক ঐক্য জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মতিউল ইসলাম হীরু, এনসিটিএফ সভাপতি মো রুরায়েত খান রাতুল, জেলা ভলান্টিয়ার জনাব মো রিফায়েত খান প্রিন্স ও প্রাক প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক জনাব মাহমুদা বেগম, মিডিয়া কর্মীবৃন্দ ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।